রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলে কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলে কেন | রাইবোজোম কাকে বলে
একটি কোষের চিত্র




১। রাইবোজোম কাকে বলে?

উত্তর: সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্ত:প্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে রাইবোসোম বলে।


২। রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলে কেন?

উত্তর: প্রোটিন সংশ্লেষণের সাথে জড়িত থাকায় রাইবোজোমকে কোষের "প্রোটিন ফ্যাক্টরি" বা 'প্রোটিন সংশ্লেষণের যন্ত্র' বলা হয়। 



প্রানিবিজ্ঞান ফেসবুক পেজ ফলো করুন।



৩। পলিরাইবোসোম বা পলিসোম কাকে বলে?

উত্তর: সাইটোপ্লাজমে একাধিক রাইবোসোম মুক্তোর মালার মতো অবস্থান করলে তাকে পলিরাইবোসোম বলে।


৪। রাইবোজোম আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?

উত্তর: রোমানিয়ান কোষ বিজ্ঞানী George Palade, ১৯৫৫ সালে কোষের ভারী পদার্থরুপে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন।


৫। রাইবোজোম এর গঠন কেমন?

উত্তর: আকৃতি ও ভৌত গঠন: 
এরা মূলত বৃত্তাকার তবে ত্রিকোণ বহু প্রকার প্রোটিন ও আর আরএনএ  দিয়ে তৈরি। E. coli কোষের শুষ্ক ওজনের প্রায় ২২ ভাগই রাইবোসোম। রাইবোসোমে বহু প্রোটিন মূলত এনজাইম।

রাসায়নিক গঠন: রাইবোসোমের প্রধান উপাদান হচ্ছে RNA ও প্রোটিন। এদের অনুপাত প্রায় ১:১। 70s রাইবোসোম আছে 23s, 16s ও 5s মানের ৩টি rRNA অণু এবং ৫২ প্রকারের প্রোটিন অনু। অপরদিকে 80s রাইবোসোমে রয়েছে 28s, 18s, 5.8s ও 5s মানের ৪টি rRNA অণু  এবং ৮০ প্রকারের প্রোটিন অনু। এছাড়াও অল্প পরিমাণে ধাতব আয়ন যেমন - Mg++, Ca++ ও Mn++ ইত্যাদি থাকে।


৬। রাইবোজোমের কাজ কি?

উত্তর: রাইবোজোমের কাজ নিম্নে দেওয়া হল:
  • প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা।
  • প্রোটিন সংশ্লেষণের শুরুতে mRNA আদি কোষের 30s এবং প্রকৃত কোষের 40s সাব-ইউনিটের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
  • এরপর 30s এর সাথে 50s এবং 40s এর সাথে 60s সাব-ইউনিট এসে একত্রিত হয়ে যথাক্রমে 70s এবং 80s একক গঠন করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষন শুরু করে।
  • এরা সাইটোক্রোম উৎপন্ন করে যারা কোষীয় শ্বসনে ইলেকট্রন পরিবহন করে। 
  • গ্লুকোজের ফসফোরাইলেশন রাইবোসোমে সংঘটিত হয়।



*

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

ADS

ADS