ফ্রিতে ই টিন সার্টিফিকেট এর আবেদন করার নিয়ম ২০২২

অনলাইন ওয়েব ট্রিগারে আপনাকে স্বাগতম। ই টিন সার্টিফিকেট শব্দটি খুবই পরিচিত তাদের কাছে যারা নিয়মিত আয়কর প্রদান করে আসছে। আপনার কাছে  e-tin certificate টি শব্দটি পরিচিত না হলেও আমাদের সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার মাধ্যমে আপনিও ই টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে একজন বস হয়ে যাবেন। আজকে জানতে পারবেন সঠিকভাবে ই টিন সার্টিফিকেট এর আবেদন করার নিয়ম ২০২২। চলুন বেশি কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।


ফ্রিতে ই টিন সার্টিফিকেট এর আবেদন করার নিয়ম ২০২২
e-tin certificate


একনজরে সূচিপত্র:




ই টিন সার্টিফিকেট কি?

টিন বা টিআইএন এর পূর্ণরুপ হল "ট্যাক্স-পেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার" (Taxpayer’s Identification Number - TIN)। টিন সার্টিফিকেট একটি ১২ সংখ্যার একটি বিশেষ নম্বর যার সাহায্যে বাংলাদেশের করদাতা সনাক্ত করা হয়। দৈনন্দিন জীবনে একটি নিদিষ্ট পরিমান অর্থ আয় করেন বা যারা ব্যবসা করতে চান এমন সব মানুষের টিআইএন বা টিন সার্টিফিকেট লাগে। 

টিন (TIN) সার্টিফিকেট কেন দরকার

টিন সার্টিফিকেট অনেক ক্ষেত্রে বিষয়ে প্রয়োজন হতে পারে । নিম্নে কয়েকটি টিন সার্টিফিকেট এর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হল:


১. কেউ যদি কোন ব্যবসা শুরু করে তাহলে টিন প্রয়োজন হবে।

২. কোন ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ড পেতে চাইলে

৩. কোম্পানি নিবন্ধন করতে

৪. বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির লাইসেন্স নিতে

৫. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে 

৬. রাইড শেয়ারিং কোম্পানিতে গাড়ি দিতে

৭. নির্বাচনে প্রার্থী হতে

৮. মুক্ত পেশাজীবী যেমন হিসাবরক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলীদের, ফিল্যান্সার হিসাবে পেশার চর্চা করতে

৯. সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে কোন জমি, ভবন বা ফ্ল্যাট ক্রয় করতে

১০. কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনতে ইত্যাদি



টিন সার্টিফিকেট করতে কি কি লাগে

টিন সার্টিফিকেট তৈরি করা জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আর আবেদন করার জন্য আপনার যা প্রয়োজন হবে তা হল আপনার এনআইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয় পত্র)। এনআইডি কার্ড এর তথ্য দিয়েই E-TIN এর ফর্ম পূরন করতে পারবেন।


অনলাইনে টিন সার্টিফিকেটের আবেদন করা নিয়ম ২০২২

ঘরে বসে অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আপনাকে নিচে থাকা লিংকে ক্লিক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই আবেদন করতে পারবেন। নিচের ভিডিওটি দেখুন তাহলে খুব সহজে আপনিও TIN সার্টিফিকেট তৈরি করতে পারবেন। আশা করছি। 


রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করুন 


স্মার্টফোন দ্বাড়াও আবেদন করা যাবে। {alertInfo}






ই টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে অনবরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি ও উত্তর:



১. e-tin এর পূর্নরুপ কি?

উত্তর: "ট্যাক্স-পেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার" (Taxpayer’s Identification Number - TIN)।


২. টিন সার্টিফিকেট লগইন করব কিভাবে?

উত্তর: লগইন করতে ক্লিক করুন


৩. টিআইএন সার্টিফিকেট এর সুবিধাসমূহ কি কি?

উত্তর: টিন সার্টিফিকেট এর প্রথম সুবিধা হল, টিন সার্টিফিকেট থাকলে কেউ সহজেই ব্যাংক থেকে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সঞ্চয়পত্র তৈরি করতে পারবেন।

২য় সুবিধা: টিন সার্টিফিকেট থাকলে আপনি সহজেই একটি নতুন গাড়ি ক্রয় করতে পারবেন বা ক্রয় করার সময় কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।

৩য় সুবিধা: টিন সার্টিফিকেট থাকলে আপনি বৈধভাবে ব্যবসা করতে পারবেন।


৪. টিন সার্টিফিকেট করতে কত টাকা ফ্রি দিতে হয়?

উত্তর: এটা একদম ফ্রিতে পাবেন।

৫. টিন সার্টিফিকেট থাকলে কত টাকা ট্যাক্স দিতে হবে?

উত্তর: যাদের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার উর্ধ্বে তাদের কর বা ট্যাক্স দিতে হবে। এবং ৬৫ বছর বয়সের উর্ধ্বে  সব নাগরিক সাড়ে তিন লাখ এবং প্রতিবন্ধীদের বছরে সাড়ে চার লাখ টাকার ওপরে আয় হলে তাকে কর দিতে হয়।


সর্বশেষ: আশা করছি লেখাটি পড়ার মাধ্যমে আপনি ই টিন সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে পেরেছেন। যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজে


আরো পড়ুন: 




যা সার্চ করলে আমাদের ওয়েবসাইট পাবেন: টিন সার্টিফিকেট ফি, ই টিন সার্টিফিকেট কি, ই টিন সার্টিফিকেট, টিন সার্টিফিকেট এর অসুবিধা, টিন সার্টিফিকেট করতে কত টাকা লাগে, টিন সার্টিফিকেট, টিন সার্টিফিকেট যাচাই করার নিয়ম, টিন সার্টিফিকেট আবেদন, টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড, টিন সার্টিফিকেট লগইন, হারানো টিন সার্টিফিকেট, টিন সার্টিফিকেট কেন দরকার, অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট, টিন সার্টিফিকেট বাংলাদেশ পিডিএফ, TIN Certificate bd, e-tin certificate download, tin certificate download by nid number, how to 're register tin certificate, tin registration online, টিন সার্টিফিকেট নবায়ন করার নিয়ম, টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড, টিন সার্টিফিকেট কেন দরকার, টিন সার্টিফিকেট যাচাই, অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট, টিন সার্টিফিকেট লগইন, e tin, টিন সার্টিফিকেট বন্ধ করার নিয়ম

*

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন